আগের পর্বচিরায়ত কণারা প্রকৃতির নিয়ম মেনেই আমাদের চেনা কণার মতো আচরণ করে। ব্যাপারটা বোঝার জন্য সমুদ্রসৈকত থেকে কিছু চিরায়ত কণা হাতে তুলে নেওয়ার কথা ভাবো। অবশ্য এখানে সেই ‘কণা’ বলতে আসলে বালুকণাই বোঝাচ্ছি। এবার একটি কাঠের পাটাতনে পাশাপাশি দুটি সরু ছিদ্র কেটে নাও। সেই দুটি ছিদ্রের ওপর দিয়ে বালুকণাগুলো ছিটিয়ে দাও। প্রতিটি বালুকণা দুটি ছিদ্রেরযেকোনো একটির মধ্য দিয়ে যাবে।
তারপর ছিদ্রদুটির নিচে তৈরি হবে বালুর দুটি আলাদা স্তূপ। এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই।কিন্তু এবার যদি বালুর বদলে দুটি ছিদ্রের দিকে ইলেকট্রনের মতো খুদে কোয়ান্টাম কণা ছিটিয়ে দিই, তাহলে কী হবে? তখন কিন্তু বালুর মতো দুটি স্তূপ তৈরি হবে না। তার বদলে চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের প্রায় সব ধারণার বিপরীত এবং আমাদের সাধারণ কাণ্ডজ্ঞান বিরোধী এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটবে।
দুটি ফাঁক দিয়ে ইলেকট্রন যাওয়ার পর পর্দায় তৈরি হবে ব্যতিচার বা ইন্টারফেয়ারেন্স প্যাটার্ন।
সূত্র: প্রথম আলো

দুই যুগের পথচলায় নির্মাণশিল্পে আস্থার নাম আকিজ সিমেন্ট
মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের আগাম সতর্কবার্তা দিলেও শোনেননি ট্রাম্প
বিবাহবিচ্ছেদে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে এআইয়ের পরামর্শ নেওয়ার প্রবণতা, পরিণতি কী হচ্ছে?
৪০ বছরে কে-পপের রানি বোয়া, তিনি জাপানে এত জনপ্রিয় কেন
সেন্ট মার্টিনে প্রথম রাত ৫০০ পর্যটকের, ‘নীল জলের এমন দ্বীপ মন ভালো করে দেয়’

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন