advertisement

রাস্তার খানাখন্দ খুঁজে বের করতে এআই টুল বানিয়েছেন এক ইঞ্জিনিয়ার

রাস্তার খানাখন্দ খুঁজে বের করতে এআই টুল বানিয়েছেন এক ইঞ্জিনিয়ার
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

একজন ইঞ্জিনিয়ার একটি এআই টুল বানিয়েছেন যেটি ড্যাশক্যাম ফুটেজ থেকে রাস্তার গর্ত খুঁজে দেবে আপনাকে৷ দেখুন ভিডিওতে...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

হ্যালোউইনের আগাম আনন্দ–উন্মাদনা হ্যালোউইনের আগাম আনন্দ–উন্মাদনা গালিভারস ট্রাভেলসের ৩০০ বছর, বইটি আজও কেন প্রাসঙ্গিক গালিভারস ট্রাভেলসের ৩০০ বছর, বইটি আজও কেন প্রাসঙ্গিক আরব দলগুলোর রেকর্ড সাফল্যের পর ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর দলের আরব দলগুলোর রেকর্ড সাফল্যের পর ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর দলের নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক
advertisement

প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা

প্রাথমিকে শিক্ষকতায় প্রকৌশলী-চিকিৎসক–এমফিল-পিএইচডিসহ ৩০ ধরনের ডিগ্রিধারীরা
শিক্ষকতা
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার প্রতি উচ্চশিক্ষিতদের আগ্রহ বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে এ কথা।আইপিইএমআইএস প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি প্রতিষ্ঠান।

ইউনিসেফ এবং এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে পরিচালিত হয় প্রতিষ্ঠানটি।শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে করা আইপিইএমআইএসের পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, প্রকৌশল, কৃষি, আইন, কম্পিউটারবিজ্ঞানের পাশাপাশি এমফিল-পিএইচডিগ্রিধারীরা পেশা হিসেবে প্রাথমিকের শিক্ষকতায় যুক্ত হয়েছেন।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরাও এ পেশায় আছেন।প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতায় যুক্ত আছেন কামিল পাস ৫৭৪১ জন, ফাজিল পাস ১৮৯৭ জন, আলিম পাস ১২৩৮ জন এবং দাখিল পাস শিক্ষক রয়েছেন ৪১২ জন।আইপিইএমআইএসের সর্বশেষ (২৮ অক্টোবর) তথ্য অনুযায়ী, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মাস্টার্স ডিগ্রিধারী শিক্ষক এখন ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৪ জন।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সাতক্ষীরায় সুপেয় পানি, বেড়িবাঁধে বরাদ্দের দাবি

সাতক্ষীরায় সুপেয় পানি, বেড়িবাঁধে বরাদ্দের দাবি
গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেওয়া অতিথিরা। গতকাল সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হলরুমে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

সুপেয় পানির সংকট নিরসন, টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, জলাবদ্ধতা দূর করা ও নদী-খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে জাতীয় বাজেটে সাতক্ষীরার জন্য বিশেষ বরাদ্দের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা।

তাঁরা বলেছেন, উপকূলীয় এ জেলার দুর্যোগ ও লবণাক্ততার ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে বরাদ্দের পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।গতকাল বুধবার সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের হলরুমে ‘জাতীয় বাজেটে নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা অন্তর্ভুক্তিকরণ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ দাবি জানানো হয়।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতায় একশনএইডের সুশীল প্রকল্প ও প্রথম আলোর উদ্যোগে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।সুপেয় পানি ও টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিসুপেয় পানির সংকট নিরসনে সরকারি পুকুর সংরক্ষণ, বৃষ্টির পানি ধরে রাখা এবং সুলভ মূল্যে গভীর নলকূপ স্থাপনের ওপর গুরুত্ব দেন জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আবু জাহিদ ডাবলু।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

শখে শুরু ছাদবাগান, এখন মাসে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি

শখে শুরু ছাদবাগান, এখন মাসে ২ লাখ টাকার গাছ বিক্রি
ইয়াসমিন খান ও তাঁর স্বামী কে এম মঈনউদ্দীন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

রাঙ্গুলিতে রয়েছে পার্পল ডিলাইট, মুরাসাকি, হাকুহো, ক্রাসুলা, জেড প্ল্যান্টসহ নানা জাতের গাছ।একেকটি গাছের দাম ১০০ থেকে ৩০ হাজার টাকা।বাণিজ্যিকভাবে গাছ উৎপাদনের জন্য মাসে পাঁচ হাজার টাকায় ছাদ ভাড়া নেন।ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম–সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কুরিয়ারে যায় গাছ।শুরুটা হয়েছিল শখের বশে। আর শখটা ছিল নিজের সংগ্রহে কিছু ব্যতিক্রমী গাছ রাখার। তাই ছাদে বাগান করলেন। গাছের প্রতি এই ভালো লাগাই একসময় রূপ নেয় ব্যবসায়।

সে জন্য ছাদ ভাড়া নিয়ে এখন গাছের চারা উৎপাদনে খুব মনোযোগী ইয়াসমিন খান। ‘রাঙ্গুলি’ নামে একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে বিক্রি করেন নানা ধরনের শৌখিন গাছ।আলাপকালে ইয়াসমিন খান প্রথম আলোকে বলেন, রাঙ্গুলি অর্থ রঙের বাহার। এই পেজে পাওয়া যায় বিভিন্ন রঙের ফুল ও পাতার গাছ। বর্তমানে মাসে প্রায় দুই লাখ টাকার গাছ বিক্রি হচ্ছে।ইয়াসমিন খানের এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছেন তাঁর স্বামী কে এম মঈনউদ্দীন।

শখের বাগান বড় করতে গিয়ে তাঁরা বুঝতে পারেন, ব্যতিক্রমী গাছের প্রতি মানুষের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন