ভারতের লাখ লাখ মানুষ মনে করেন, দেশকে ঘৃণা ও বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের করে আনতে রাহুল গান্ধীই হতে পারেন যোগ্য নেতা। নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ভারত এখন গভীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সমাজে বৈষম্য বাড়ছে। ধনী ও দরিদ্রের ব্যবধান আরও প্রকট হচ্ছে। অর্থনীতির সুফল প্রধানত ধনীদের ঘরেই যাচ্ছে।
গত রোববার দিল্লিতে ভোট চুরির প্রতিবাদে বিরোধী দলগুলোর বিশাল সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি দেখে মনে হয়েছে, রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বের প্রতি অনেকের আস্থা তৈরি হয়েছে।নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে তরুণেরাও ক্ষুব্ধ। রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন তাঁরা। তবে নির্বাচনে কারচুপি করার অর্থ হলো, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে ক্ষমতাসীনদের আস্থা নেই।
এই দিক থেকে দেখলে কারচুপির ঘটনা গণতন্ত্রের জন্য বিপদের সংকেত হলেও তা ক্ষমতাসীনদের দুর্বলতাও প্রকাশ করে।গণতন্ত্রকে দুর্বল করার ঘটনা অবশ্য শুধু ভারতেই ঘটছে না।
সূত্র: প্রথম আলো

আড্ডা থেকে নাম, সেই প্রেমতলা বদলে গেছে, আছে শুধু নামের গল্প
বিনা রক্তপাতে যুক্তরাষ্ট্রে ‘রেজিম চেঞ্জ’
অভিমান থেকে ছাদবাগান, এখন ছাদজুড়ে শতাধিক ফল ও ফুলের গাছ
এভাবে ঘরেই তৈরি করতে পারেন চুলের জন্য উপকারি তেল
আইফোনের পাশাপাশি নতুন মডেলের স্মার্টফোনে আগ্রহ ক্রেতাদের

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন