এমন কিছু একটা ঘটতে পারে, ধারণা করেছিলেন অনেকেই। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বরাবরই একটু অভিমানী, আত্মমর্যাদাটা সবসময়ই বেশি। কোচের সঙ্গে এর আগেও মনোমালিন্য হয়েছে, কিন্তু ক্যাম্প থেকে বেরিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেনি আগে। রোনালদো সেটাই করেছিলেন, তাও দেশের হয়ে খেলায়। যে দেশের জন্য জীবন বাজি রাখতেও পিছপা হননি রোনালদো, তিনিই গল্পের ইতি টানলেন হাতে লেখা এক বার্তা পড়ে।পর্তুগালের ফুটবল ইতিহাসকে ঠিক দুইভাগে ভাগ করা যায়।
রোনালদোর অভিষেকের আগে আর অভিষেকের পরে। শুনতে ঠিক যতটা বিশাল কিছু মনে হচ্ছে, বাস্তবে আসলেও তাই। রোনালদোর আগমনের আগেও পর্তুগাল ছিল, তবে সেটা ইতিহাসের পাতায় আর গুটি কয়েক রাজ্যহীন রাজা হয়ে। ‘কালো চিতা’ ইউসেবিও এসেছিলেন, একক নৈপুণ্যে বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি। সেই অর্জন ক্ষয়ে গিয়েছে ষাটের দশকেই।
মানুষ নস্টালজিয়ায় তাঁকে মনে করে, কিন্তু বছরের পর বছর টেনে নেওয়ার মতো তারকা হয়ে উঠতে পারেননি কেউ।
সূত্র: প্রথম আলো

বদলি ইব্রাহিমের গোলে ভুটানকে হারাল বাংলাদেশ
বাংলাদেশকে দুবার অলআউট করতে চান উইকহাম, তাসকিন বললেন ‘ও নতুন এসেছে’
রোনালদোর উত্থান, অর্জন ও বিদায়: ১৫ ছবিতে এক কিংবদন্তির গল্প
রোনালদোর বিদায়ের নেপথ্যে কী
একটি দৃশ্য আমি সারা জীবন সঙ্গে নিয়ে যাব—বিদায়ী বক্তব্যে রোনালদো

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন