পাবনার ঈশ্বরদীতে এক শিক্ষক নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
পাবনার ঈশ্বরদীতে এক শিক্ষক নিজ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশ কি অর্থনৈতিক সংকটের মুখে, সমস্যা সমাধানে কী করণীয়? বিস্তারিত ভিডিওতে...
সূত্র: প্রথম আলো
বারান্দায় বা বাগানের টবে থাকা গাছগুলোর দিকে তাকালে মনে হয়, গাছগুলো বড্ড শান্ত, এক জায়গায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। ওদের তো আর আমাদের মতো হাত-পা নেই যে বিপদ দেখলে দৌড় লাগাবে! কিন্তু আসলেই কি তাই? উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা কিন্তু একদম অন্য কথা বলছেন। গাছপালা হয়তো আমাদের মতো হেঁটে বা উড়ে বেড়ায় না, কিন্তু তারা প্রতিনিয়ত নড়াচড়া করে।
আলোর দিকে হেলে পড়া, মাধ্যাকর্ষণের টানে শেকড় মাটির গভীরে পাঠানো কিংবা জলের খোঁজে শেকড় বাঁকিয়ে ফেলার মতো কিছু অদ্ভুত কৌশল অবলম্বন করে গাছ। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ট্রপিজম।সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গাছের নড়াচড়ার এমন এক গা ছমছমে কৌশল আবিষ্কার করেছেন, যা শুনে আপনি রীতিমতো চমকে যাবেন। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গাছ তার নিজের প্রজাতির মৃত বা পচে যাওয়া অংশের গন্ধ পেলেই সেখান থেকে শেকড় বাঁকিয়ে উল্টো দিকে পালাতে শুরু করে!
সম্প্রতি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের নাম দেওয়া হয়েছে স্যাপ্রোট্রপিজম।গাছকে গান শোনালে কি সত্যিই গাছ দ্রুত বাড়েবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গাছ তার নিজের প্রজাতির মৃত বা পচে যাওয়া অংশের গন্ধ পেলেই সেখান থেকে শেকড় বাঁকিয়ে উল্টো দিকে পালাতে শুরু করে!বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেক বড় বড় আবিষ্কারই হয়েছে নিছক দুর্ঘটনার হাত ধরে।
সূত্র: প্রথম আলো
পুরোনো বেশ কিছু পত্রিকা দেখে ধারণা হলো স্বাধীনতার পর দেশে বাজারদর নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন করেছিল সরকারি মালিকানাধীন পত্রিকা দৈনিক বাংলা। ১৯৭১ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘ঢাকায় মাছ, ডিম ও শাকসবজির দাম কমেছে’। শুরুটা ছিল এ রকম: ‘রাজধানী ঢাকা শহরসহ বাংলাদেশের সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃ-প্রতিষ্ঠার পর হতে শহরে বিভিন্ন দ্রব্যাদির আমদানী দিন দিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ফলে বিভিন্ন জিনিসের দামও দ্রুত কমতে শুরু করেছে। এসব দ্রব্যাদির মধ্যে রয়েছে শাক-সবজি, মাছ, ডিম, মাংস ইত্যাদি।’বাজারদর নিয়ে দৈনিক বাংলার ঠিক পরের প্রতিবেদনটি ছাপা হয় ২২ দিন পরে—১৯৭২ সালের ১৯ জানুয়ারি। এবার পুরো উল্টো খবর। সেই রিপোর্টের শিরোনাম ছিল, ‘দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, অতি মুনাফার লালসাই প্রধান কারণ’। রিপোর্টটির শুরুটা ছিল এ রকম: ‘আজকাল জনজীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।
কোন কোন জিনিসের দাম ইতিমধ্যেই আকাশচুম্বী হয়ে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবার উপক্রম হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন