advertisement

মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে ৩৪৭ পদে চাকরির সুযোগ, আবেদন শেষ ২৫ নভেম্বর

মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে ৩৪৭ পদে চাকরির সুযোগ, আবেদন শেষ ২৫ নভেম্বর
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয় এবং এর আওতাধীন ফিন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট একাডেমি (ফিমা) ও অডিট অধিদপ্তরগুলোর রাজস্ব খাতের শূন্য পদগুলোয় সরাসরি নিয়োগের দুটি আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ১৬তম ও ২০তম গ্রেডের ৪টি ক্যাটাগরিতে মোট ৩৪৭ জন কর্মী নিয়োগ দেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষিত শর্ত অনুযায়ী যোগ্য ও প্রকৃত বাংলাদেশি প্রার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।পদভিত্তিক বিবরণ, পদসংখ্যা ও বেতন স্কেল ১. জুনিয়র অডিটর (গ্রেড-১৬): ৭০টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা। ২. কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (গ্রেড-১৬): ৬২টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা। ৩. ড্রাইভার (গ্রেড-১৬): ৬টি। বেতন স্কেল: ২১,৯০০–৫২,৯০০ টাকা। ৪. অফিস সহায়ক (গ্রেড-২০): ২০৯টি।

বেতন স্কেল: ২০,০০০–৪৮,৪০০ টাকা।মিসরের আল-আজহারের ইনস্টিটিউটে পড়াশোনা, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেভাবে আবেদন করবেনশিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য দক্ষতাজুনিয়র অডিটর: কোনো স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্যূন দ্বিতীয় বিভাগ বা সমমানের জিপিএতে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

৯ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে, এনটিআরসিএ জানাল সময় ৯ম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা কবে, এনটিআরসিএ জানাল সময় কুমিল্লা কর অঞ্চলে ৪১ পদে চাকরি, আবেদন কুমিল্লা–চাঁদপুর–ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থায়ী বাসিন্দাদের কুমিল্লা কর অঞ্চলে ৪১ পদে চাকরি, আবেদন কুমিল্লা–চাঁদপুর–ব্রাহ্মণবাড়িয়ার স্থায়ী বাসিন... নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৫৫, নারায়ণগঞ্জ–মুন্সিগঞ্জবাসীর সুযোগ নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলে চাকরি, পদ ৫৫, নারায়ণগঞ্জ–মুন্সিগঞ্জবাসীর সুযোগ আরআরএফ-এ চার পদে ৪৪০ জনের চাকরির সুযোগ, পরীক্ষা ৬ নভেম্বর আরআরএফ-এ চার পদে ৪৪০ জনের চাকরির সুযোগ, পরীক্ষা ৬ নভেম্বর
advertisement

অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে, কী করতে হবে

অর্থনীতিতে চাপ বাড়ছে, কী করতে হবে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বাংলাদেশ কি অর্থনৈতিক সংকটের মুখে, সমস্যা সমাধানে কী করণীয়? বিস্তারিত ভিডিওতে...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

মৃতপ্রায় গাছের কাছ থেকে দূরে সরে যায় অন্য গাছ

মৃতপ্রায় গাছের কাছ থেকে দূরে সরে যায় অন্য গাছ
গাছপালা হয়তো আমাদের মতো হেঁটে বা উড়ে বেড়ায় না, কিন্তু তারা প্রতিনিয়ত নড়াচড়া করে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বারান্দায় বা বাগানের টবে থাকা গাছগুলোর দিকে তাকালে মনে হয়, গাছগুলো বড্ড শান্ত, এক জায়গায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। ওদের তো আর আমাদের মতো হাত-পা নেই যে বিপদ দেখলে দৌড় লাগাবে! কিন্তু আসলেই কি তাই? উদ্ভিদবিজ্ঞানীরা কিন্তু একদম অন্য কথা বলছেন। গাছপালা হয়তো আমাদের মতো হেঁটে বা উড়ে বেড়ায় না, কিন্তু তারা প্রতিনিয়ত নড়াচড়া করে।

আলোর দিকে হেলে পড়া, মাধ্যাকর্ষণের টানে শেকড় মাটির গভীরে পাঠানো কিংবা জলের খোঁজে শেকড় বাঁকিয়ে ফেলার মতো কিছু অদ্ভুত কৌশল অবলম্বন করে গাছ। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ট্রপিজম।সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা গাছের নড়াচড়ার এমন এক গা ছমছমে কৌশল আবিষ্কার করেছেন, যা শুনে আপনি রীতিমতো চমকে যাবেন। বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গাছ তার নিজের প্রজাতির মৃত বা পচে যাওয়া অংশের গন্ধ পেলেই সেখান থেকে শেকড় বাঁকিয়ে উল্টো দিকে পালাতে শুরু করে!

সম্প্রতি সায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের নাম দেওয়া হয়েছে স্যাপ্রোট্রপিজম।গাছকে গান শোনালে কি সত্যিই গাছ দ্রুত বাড়েবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, গাছ তার নিজের প্রজাতির মৃত বা পচে যাওয়া অংশের গন্ধ পেলেই সেখান থেকে শেকড় বাঁকিয়ে উল্টো দিকে পালাতে শুরু করে!বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেক বড় বড় আবিষ্কারই হয়েছে নিছক দুর্ঘটনার হাত ধরে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

দাম বাড়ার চাপ যখন নিত্যসঙ্গী

দাম বাড়ার চাপ যখন নিত্যসঙ্গী
শওকত হোসেন, প্রথম আলোর হেড অব অনলাইন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

পুরোনো বেশ কিছু পত্রিকা দেখে ধারণা হলো স্বাধীনতার পর দেশে বাজারদর নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন করেছিল সরকারি মালিকানাধীন পত্রিকা দৈনিক বাংলা। ১৯৭১ সালের ২৭ ডিসেম্বর প্রকাশিত সেই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘ঢাকায় মাছ, ডিম ও শাকসবজির দাম কমেছে’। শুরুটা ছিল এ রকম: ‘রাজধানী ঢাকা শহরসহ বাংলাদেশের সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনযাত্রা শুরু এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃ-প্রতিষ্ঠার পর হতে শহরে বিভিন্ন দ্রব্যাদির আমদানী দিন দিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ফলে বিভিন্ন জিনিসের দামও দ্রুত কমতে শুরু করেছে। এসব দ্রব্যাদির মধ্যে রয়েছে শাক-সবজি, মাছ, ডিম, মাংস ইত্যাদি।’বাজারদর নিয়ে দৈনিক বাংলার ঠিক পরের প্রতিবেদনটি ছাপা হয় ২২ দিন পরে—১৯৭২ সালের ১৯ জানুয়ারি। এবার পুরো উল্টো খবর। সেই রিপোর্টের শিরোনাম ছিল, ‘দ্রব্যমূল্য বাড়ছে, অতি মুনাফার লালসাই প্রধান কারণ’। রিপোর্টটির শুরুটা ছিল এ রকম: ‘আজকাল জনজীবনের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

কোন কোন জিনিসের দাম ইতিমধ্যেই আকাশচুম্বী হয়ে জনগণের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাবার উপক্রম হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন