দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনা পর্যালোচনা করবে মানবাধিকার ও শান্তিবিষয়ক সংসদীয় ককাস। এ ক্ষেত্রে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা একসঙ্গে কাজ করবেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা চিহ্নিত করার পাশাপাশি সেসব ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা-ও পর্যবেক্ষণ করবে এই ককাস।বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে এই ককাসের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান ককাসের চেয়ারপারসন ফাহিমা নাসরিন। এর আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সিদ্ধান্তে ২ নভেম্বর এই সংসদীয় ককাস গঠন করা হয়।ককাসের শাব্দিক অর্থ হলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে একমত হওয়া একটি দল। সংসদীয় ককাস হলো নির্দিষ্ট কোনো বিষয় বা নীতিকে কেন্দ্র করে সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত একটি অনানুষ্ঠানিক প্ল্যাটফর্ম।
এটি সংসদের কোনো স্থায়ী কমিটি বা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ককাসের পৃষ্ঠপোষক জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বৈঠকে অংশ নেন।
সূত্র: প্রথম আলো

শুধু দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন থাকলেই সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তন করা যায় না
মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতাল: চিকিৎসা বিলে বেশি ছাড় না দেওয়ায় হামলা-ভাঙচুর
বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তায় ইরান ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদূত
সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়ার ঘটনায় ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ
সচিবালয় স্থানান্তরের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে আবারও সড়ক অবরোধ শেকৃবি শিক্ষার...

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন