advertisement

পথিককে রাস্তা বলে দেওয়া: একটি ভুলে যাওয়া সুন্নত

পথিককে রাস্তা বলে দেওয়া: একটি ভুলে যাওয়া সুন্নত
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

গুগল ম্যাপের যুগে পথ হারানো আর পথ জিজ্ঞেস করা, দুটোই যেন অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে। তবু নেটওয়ার্ক থাকে না, ম্যাপ ভুল মোড় দেখায়, আর অচেনা শহরে সন্ধ্যা নামে।তখন ফোন পকেটে রেখে আমাদের তাকাতে হয় পাশের মানুষটির দিকে। এ সময়ে পথ জিজ্ঞেস করে অনেককে বিরক্ত মুখ দেখতে হয়, কখনো অবজ্ঞা, কখনো ভুল ইশারা।

অথচ মহানবী (সা.) পথহারাকে পথ দেখানোকে ইবাদত বলে গণ্য করেছেন।রাস্তারও হক আছে রাস্তায় বসে আড্ডা দেওয়া নিয়ে সাহাবিদের সঙ্গে নবীজির একটি কথোপকথন হাদিসে এসেছে।

নবীজি (সা.) বললেন, ‘তোমরা রাস্তায় বসা থেকে সতর্ক থাকো।’ সাহাবিরা বললেন, তাঁদের তো মজলিসে বসতেই হয়, সেখানেই কথাবার্তা হয়।তোমার ভাইয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসা তোমার জন্য সদকা, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা সদকা, পথহারা মানুষকে পথ দেখানো সদকা।তখন তিনি বললেন, ‘যদি বসতেই হয়, তবে রাস্তার হক আদায় করো।’ রাস্তার হক কী জানতে চাইলে তিনি বললেন, দৃষ্টি অবনত রাখা, কষ্ট না দেওয়া, সালামের জবাব দেওয়া, সৎ কাজের আদেশ করা ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করা।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

সে ফিরে আসেনি সে ফিরে আসেনি ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন, ভেটো ক্ষমতার কথাও মনে করিয়ে দিলেন ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন, ভেটো ক্ষমতার কথাও মনে করিয়ে দিলেন ট্রাম্প সোনা কেনা কি লাভজনক বিনিয়োগ সোনা কেনা কি লাভজনক বিনিয়োগ বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তায় তেহরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তায় তেহরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদ... সরিয়ে দেওয়া হলো আশফাকুর রহমানকে, নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান সরিয়ে দেওয়া হলো আশফাকুর রহমানকে, নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান
advertisement

পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা

পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। গত রোববার মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্ত্বরে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

তৈরি পোশাকশিল্পে আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হবে। আর জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা বাড়তি বেতন হাতে পাবেন । নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবিএম শামসুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার এমনটাই জানিয়েছেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী।সভা শেষে সৈয়দ আজাদ সুবহানী সাংবাদিকদের বলেন, মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষ তাদের মজুরি প্রস্তাব পৃথকভাবে জমা দেবেন। একইসঙ্গে নিরপেক্ষ সদস্যও একটি মজুরি প্রস্তাব দেবেন। তারপর সেই মজুরি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।গত রোববার শ্রম মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে।

বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষের স্থায়ী সদস্য হিসেবে যথাক্রমে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে নিয়োগ করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন

ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/valo-pricalkera-kaj-seshei-parisrmik-diye-den

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সে ফিরে আসেনি

সে ফিরে আসেনি
অলংকরণ: তুলি
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

একদিন তুমি বলেছিলে—মানুষ হারিয়ে যায় না,শুধু তার ঠিকানাটা বদলে যায়।তারপর কত বছর কেটে গেল—শহর বদলেছে,রাস্তার নাম বদলেছে,পুরোনো বাড়ির দেয়ালেনতুন রঙের প্রলেপ পড়েছে;শুধু বদলায়নিতোমাকে মনে রাখার এই অভ্যাস।আজও সন্ধ্যা নামলেজানালার পাশে দাঁড়াই—দূরের রাস্তায় কোনো মানুষ হাঁটলেঅকারণে মনে হয়,এই বুঝি তুমি!কত অদ্ভুত, তাই না?যে মানুষটিকেচোখের সামনে আর কোনো দিন পাব না,তাকেই চোখের ভুলেপ্রতিদিন খুঁজে ফিরি।তোমার জন্য রাখা চিঠিগুলোএখন আর চিঠি নয়—তারা হয়ে গেছেপুরোনো সময়ের শুকনা পাতা।একটি একটি করে খুললেভেতর থেকে বেরিয়ে আসেআমাদের না-বলা কথারা,অসমাপ্ত বিকেল,বৃষ্টিতে ভেজা একটি ছাতা,আর পাশাপাশি হাঁটারএকটি ছোট্ট স্মৃতি।তুমি জানো,সব বিচ্ছেদের শব্দ হয় না।কিছু বিচ্ছেদখুব নিঃশব্দে ঘটে—একদিন কথা কমে যায়,তারপর দেখা কমে যায়,তারপর মানুষটিঅপরিচিত হয়ে যায়নিজেরই স্মৃতির কাছে।তবু আমি তোমাকে দোষ দিই না।কারণ, নদীকে কি কখনো বলা যায়—কেন সে তীর ছেড়েসমুদ্রের দিকে চলে গেল?পাখিকে কি জিজ্ঞাসা করা যায়—কেন সে পরিচিত ডাল ছেড়েঅচেনা আকাশ বেছে নিল?মানুষও বোধহয় তেমনই—কখনো ভালোবেসেওদূরে চলে যেতে হয়।শুধু যাওয়ার আগেএকবার ফিরে তাকালেহয়তো এতটা কষ্ট হতো না।তুমি ফিরে তাকাওনি।তাই আজওআমার সন্ধ্যাগুলোএকটি না-ফেরা মানুষের অপেক্ষায় থাকে।তবে আর অপেক্ষা নয়।আজ তোমার স্মৃতির দরজায়শেষবারের মতো কড়া নেড়েআমি ফিরে আসছি নিজের...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন