advertisement

শক্তিশালী প্রসেসর ও ব্যাটারি রয়েছে শাওমির এই স্মার্টফোনে

শক্তিশালী প্রসেসর ও ব্যাটারি রয়েছে শাওমির এই স্মার্টফোনে
রেডমি ১৭ ফাইভ–জি
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

দেশের বাজারে শক্তিশালী প্রসেসরে চলা নতুন মডেলের স্মার্টফোন এনেছে শাওমি। রেডমি ১৭ ফাইভ–জি মডেলের ফোনটিতে স্ন্যাপড্রাগন ৪ জেন ৫ মডেলের প্রসেসর থাকায় দ্রুতগতিতে ইন্টারনেট ব্যবহারের পাশাপাশি একসঙ্গে একাধিক কাজ করা যায়। ৭ হাজার ৫০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিযুক্ত ফোনটি একবার চার্জে দীর্ঘসময় ব্যবহার করা সম্ভব। শুধু তা–ই নয়, ৪৫ ওয়াটের টার্বো চার্জিং সুবিধা থাকায় দ্রুত চার্জ করা যায় ফোনটি।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শাওমি বাংলাদেশ।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শাওমি হাইপারওএস ৩ অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনটিতে ৬ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ১২৮ গিগাবাইট ধারণক্ষমতা রয়েছে। শক্তিশালী প্রসেসরের পাশাপাশি দ্রুতগতির র‍্যাম থাকায় ফোনটিতে সহজেই বিভিন্ন কাজ করার পাশাপাশি ভিডিও দেখা যায়।৬.৯ ইঞ্চি পর্দার ফোনটির রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্ডজ হওয়ায় সহজেই ভালো মানের ছবি ও ভিডিও দেখা যায়।

ফোনটির পেছনে ৫০ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা রয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

সে ফিরে আসেনি সে ফিরে আসেনি ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন, ভেটো ক্ষমতার কথাও মনে করিয়ে দিলেন ট্রাম্প ডেমোক্র্যাটদের অভিনন্দন, ভেটো ক্ষমতার কথাও মনে করিয়ে দিলেন ট্রাম্প সোনা কেনা কি লাভজনক বিনিয়োগ সোনা কেনা কি লাভজনক বিনিয়োগ বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তায় তেহরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জ্বালানি পরিবহনের নিরাপত্তায় তেহরান সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারে না: রাষ্ট্রদ... সরিয়ে দেওয়া হলো আশফাকুর রহমানকে, নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান সরিয়ে দেওয়া হলো আশফাকুর রহমানকে, নিম্নতম মজুরি বোর্ডে নতুন চেয়ারম্যান
advertisement

পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা

পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি ডিসেম্বরে, বোর্ডের প্রথম সভা শেষে জানালেন মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা
মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকেরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। গত রোববার মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্ত্বরে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

তৈরি পোশাকশিল্পে আগামী ডিসেম্বর থেকে নতুন মজুরি কাঠামো কার্যকর হবে। আর জানুয়ারি থেকে শ্রমিকেরা বাড়তি বেতন হাতে পাবেন । নিম্নতম মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা শেষে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এবিএম শামসুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি বাবুল আখতার এমনটাই জানিয়েছেন। রাজধানীর সেগুনবাগিচায় নিম্নতম মজুরি বোর্ডের কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন মজুরি বোর্ডের নতুন চেয়ারম্যান সৈয়দ আজাদ সুবহানী।সভা শেষে সৈয়দ আজাদ সুবহানী সাংবাদিকদের বলেন, মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভায় শ্রমিক ও মালিকপক্ষ তাদের মজুরি প্রস্তাব পৃথকভাবে জমা দেবেন। একইসঙ্গে নিরপেক্ষ সদস্যও একটি মজুরি প্রস্তাব দেবেন। তারপর সেই মজুরি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।গত রোববার শ্রম মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে।

বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষের স্থায়ী সদস্য হিসেবে যথাক্রমে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে নিয়োগ করা হয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন

ভালো পরিচালকেরা কাজ শেষেই পারিশ্রমিক দিয়ে দেন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/valo-pricalkera-kaj-seshei-parisrmik-diye-den

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

সে ফিরে আসেনি

সে ফিরে আসেনি
অলংকরণ: তুলি
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

একদিন তুমি বলেছিলে—মানুষ হারিয়ে যায় না,শুধু তার ঠিকানাটা বদলে যায়।তারপর কত বছর কেটে গেল—শহর বদলেছে,রাস্তার নাম বদলেছে,পুরোনো বাড়ির দেয়ালেনতুন রঙের প্রলেপ পড়েছে;শুধু বদলায়নিতোমাকে মনে রাখার এই অভ্যাস।আজও সন্ধ্যা নামলেজানালার পাশে দাঁড়াই—দূরের রাস্তায় কোনো মানুষ হাঁটলেঅকারণে মনে হয়,এই বুঝি তুমি!কত অদ্ভুত, তাই না?যে মানুষটিকেচোখের সামনে আর কোনো দিন পাব না,তাকেই চোখের ভুলেপ্রতিদিন খুঁজে ফিরি।তোমার জন্য রাখা চিঠিগুলোএখন আর চিঠি নয়—তারা হয়ে গেছেপুরোনো সময়ের শুকনা পাতা।একটি একটি করে খুললেভেতর থেকে বেরিয়ে আসেআমাদের না-বলা কথারা,অসমাপ্ত বিকেল,বৃষ্টিতে ভেজা একটি ছাতা,আর পাশাপাশি হাঁটারএকটি ছোট্ট স্মৃতি।তুমি জানো,সব বিচ্ছেদের শব্দ হয় না।কিছু বিচ্ছেদখুব নিঃশব্দে ঘটে—একদিন কথা কমে যায়,তারপর দেখা কমে যায়,তারপর মানুষটিঅপরিচিত হয়ে যায়নিজেরই স্মৃতির কাছে।তবু আমি তোমাকে দোষ দিই না।কারণ, নদীকে কি কখনো বলা যায়—কেন সে তীর ছেড়েসমুদ্রের দিকে চলে গেল?পাখিকে কি জিজ্ঞাসা করা যায়—কেন সে পরিচিত ডাল ছেড়েঅচেনা আকাশ বেছে নিল?মানুষও বোধহয় তেমনই—কখনো ভালোবেসেওদূরে চলে যেতে হয়।শুধু যাওয়ার আগেএকবার ফিরে তাকালেহয়তো এতটা কষ্ট হতো না।তুমি ফিরে তাকাওনি।তাই আজওআমার সন্ধ্যাগুলোএকটি না-ফেরা মানুষের অপেক্ষায় থাকে।তবে আর অপেক্ষা নয়।আজ তোমার স্মৃতির দরজায়শেষবারের মতো কড়া নেড়েআমি ফিরে আসছি নিজের...

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন