দুই দশক ধরে ব্ল্যাকহোলের ভয়ংকর সব রহস্য ফাঁস করা নাসার কিংবদন্তি টেলিস্কোপটি শিগগিরিই আছড়ে পড়বে পৃথিবীতে। কিন্তু কেন?মহাকাশের সবচেয়ে ভয়ংকর বিস্ফোরণগুলোর খবর পৃথিবীতে বসে পাওয়াটা একসময় অকল্পনীয় ছিল। কিন্তু ২০০৪ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা যখন ‘নীল গেহরেলস সুইফট অবজারভেটরি’ মহাকাশে পাঠায়, তখন জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসটাই যেন বদলে যায়।অবাক করা ব্যাপার হলো, এই মহাকাশযানের মূল মিশন ছিল মাত্র দুই বছরের!
অথচ সেটি টানা দুই দশক ধরে মহাকাশের বুকে এক নাগাড়ে কাজ করে গেছে। মহাবিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক ঘটনা গামা-রশ্মির বিস্ফোরণ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করাই ছিল এর প্রধান কাজ।
দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে সুইফট দুই হাজারেরও বেশি গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ, ১৪০০-এর বেশি সুপারনোভা এবং এমনকি রাক্ষুসে ব্ল্যাকহোল কীভাবে আস্ত একটি নক্ষত্রকে গিলে খায়, তার চাক্ষুষ প্রমাণ বিজ্ঞানীদের হাতে তুলে দিয়েছে।শুধু দূরের গ্যালাক্সিই নয়, আমাদের সৌরজগতের কাছের গ্রহাণু এবং 3I/ATLAS-এর মতো আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূমকেতুর দিকেও কড়া নজর রেখেছিল এটি।
সূত্র: প্রথম আলো

গ্রাম ছেড়ে ঢাকায় মায়ের সংগ্রাম, নটর ডেম থেকে ছেলের জিপিএ–৫
‘আমার ছেলের সাঁতারে প্রশিক্ষণ ছিল, ডুবে মৃত্যু হতে পারে না’: তাহসিফের বাবা
বেতন বাড়ানোর দাবিতে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ
সারসংকট নিয়ে কৃষিমন্ত্রী: ‘দুষ্টু লোক তো আছে এখানে’
বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ১ লাখ কর্মী নেবে জাপান সরকার, দাবিটি সত্য নয়

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন