মানুষের শরীরে প্রতিনিয়ত প্রোটিন তৈরি হয়। প্রোটিন হলো রাসায়নিক অণু। আকারে বড় অণু। শরীরে বহু ধরনের প্রোটিন তৈরি হয়। একেক প্রোটিনের আকার একেক ধরনের। আবার একেক প্রোটিনের কাজ বা ফাংশনও আলাদা আলাদা। আপনি নিশ্চয়ই ইনসুলিনের নাম শুনেছেন। ইনসুলিন আসলে এক ধরনের প্রোটিন। তেমনি শরীরে একটা প্রোটিন আছে, যেটার নাম সারভাইভাল অব মোটর নিউরন। এই প্রোটিন পরোক্ষভাবে আমাদের পেশি সঞ্চালনে সাহায্য করে।
হাঁটতে, দৌড়াতে, কথা বলতে, নিঃশ্বাস নিতে—আমাদের পেশির সঞ্চালন হয়। সুতরাং কারো শরীরে যদি পর্যাপ্ত পরিমাণের এসএমএন প্রোটিন তৈরি না হয়, তাহলে তাদের হাঁটতে কিংবা দৌড়াতে সমস্যা হয়। অন্যান্য পেশি সঞ্চালনে সমস্যা হয়। এমনকি নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা হতে পারে।শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে এসএমএন প্রোটিন তৈরি না হওয়ার কারণে, ওপরে উল্লেখিত লক্ষণ দেখা দিলে, এই রোগটিকে আমরা বলি স্পাইনাল মাসকুলার অ্যাট্রফি বা এসএমএ।
লক্ষণ শুরু হওয়ার বয়স এবং শিশুটি কতটুকু সক্ষমতা অর্জন করতে পারে—এই দুইয়ের ভিত্তিতে রোগটিকে চার-পাঁচটা টাইপে ভাগ করা হয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো

অমলকান্তিদের স্বপ্ন একদিন পূরণ হবে, খোঁয়ারি কেটে যাবে
সান্তিয়াগো পেনা গ্রেপ্তার, প্যারাগুয়ের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে পেদ্রো আলিয়ানার শপথ
একঝলক (৭ নভেম্বর ২০২৬)
এক জেনারেলের নীরব সাক্ষ্যে ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থান
অ্যালুমিনিয়ামের রান্নার পাত্র থেকে বিষাক্ত সিসা ঢুকছে ভাত–খিচুড়িতে, মান দেখবে কে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন