advertisement

ভুলে অজু ছাড়া নামাজ পড়লে করণীয় কী

ভুলে অজু ছাড়া নামাজ পড়লে করণীয় কী
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

নামাজের জন্য অজু করা পূর্বশর্ত। মহানবী (সা.) অজুকে নামাজের ‘চাবিকাঠি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততায় অনেক সময় মানুষ সম্পূর্ণ ভুলে গিয়ে অজু ছাড়াই নামাজে দাঁড়িয়ে যায়, আবার অনেক সময় অজু আছে কি নেই—তা নিয়ে চরম মানসিক সন্দেহে ভোগে।শয়তানও ইবাদতের সময় মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি করতে সবচেয়ে বেশি তৎপর থাকে।

এসব বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে ইসলামি ফিকহ অত্যন্ত সুস্পষ্ট, যৌক্তিক ও সহজ সমাধান প্রদান করেছে।ভুলে অজু ছাড়া নামাজ পড়ে ফেললে ইচ্ছাকৃতভাবে অজু ছাড়া নামাজ পড়া ইসলামে একটি চরম অবাধ্যতা এবং অনেক ফকিহের মতে কুফরির কাছাকাছি একটি পাপ। কিন্তু যদি কেউ সম্পূর্ণ ভুলে গিয়ে অজু ছাড়া নামাজ পড়ে এবং নামাজের পর তার মনে পড়ে, তবে তার এই ভুলের জন্য কোনো পাপ হবে না।কিন্তু তার নামাজটি ইসলামের দৃষ্টিতে বাতিল বা অকার্যকর বলে গণ্য হবে।

মহানবী (সা.) অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, ‘পবিত্রতা (অজু বা গোসল) ছাড়া কোনো নামাজ কবুল করা হয় না।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২২৪)যদি কেউ ভুলে অজু ছাড়া বা অপবিত্র কাপড়ে নামাজ পড়ে ফেলে এবং পরে তার মনে পড়ে, তবে তার ওপর পুনরায় অজু করে সেই নামাজটি আবার পড়া আবশ্যক।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি  জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি  বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে লেখা ‘জয় বাংলা’, ৫ শিক্ষার্থীকে ডেকেছে কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে লেখা ‘জয় বাংলা’, ৫ শিক্ষার্থীকে ডেকেছে কর্তৃপক্ষ
advertisement

সাইকেলে বাড়ি ফেরার পথে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কা, মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু

সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় সাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত এক মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু হয়েছে...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি

অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি
মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার।
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৫ সালের ২ আগস্ট প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৭১তম পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত থেকে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহিত কামাল এবং মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মেখলা সরকার পরামর্শ প্রদান করেন। ‘সন্তানের মনের সংকটে অভিভাবকের করণীয়’—এই বিষয়ের ওপর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞগণ।

উক্ত আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।সভায় ডা. মেখলা সরকার প্যারেন্টিং বা সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং বাস্তবসম্মত দিকনির্দেশনা দেন। তিনি প্যারেন্টিংয়ের তিনটি ধরন ও সেগুলির প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

যেমন- কঠোর অনুশাসন: সন্তানকে সারাক্ষণ ভয়ে ও শাসনে রাখলে তার নিজস্ব মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সে তার সৃজনশীলতা হারাতে পারে।অতিরিক্ত প্রশ্রয়: সন্তানকে সবকিছুতে অতিরিক্ত ছাড় দিলে তারা জীবনের আসল চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে শেখে না এবং তাদের মধ্যে আত্মবিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়।সম্পূর্ণ স্বাধীনতা বা উদাসীনতা: সন্তানের খোঁজখবর না রেখে তাকে সম্পূর্ণ ছেড়ে দিলে সে ভবিষ্যৎ সংকট বা প্রতিকূল পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতা অর্জন করতে পারে না।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল

যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ইসলামি ইতিহাসে লক্ষাধিক সাহাবির মধ্যে এমন কয়েকজন রয়েছেন, যাঁদের মর্যাদা আল্লাহ অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তাঁদেরই একজন হলেন মদিনার আনসার সাহাবিদের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতা হজরত সাদ ইবনে মুয়াজ (রা.)।তাঁর মৃত্যুর পর এমন এক অভাবনীয় ঘটনা ঘটেছিল, যা অন্য কোনো সাহাবির ক্ষেত্রে শোনা যায় না। তাঁর মৃত্যুতে স্বয়ং মহান আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছিল।

মাত্র ছয় থেকে সাত বছরের ইসলামি জীবনে তিনি এমন কী অসামান্য ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন, যার কারণে আসমানি জগতে এই তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল?আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার হাদিস মহানবী (সা.) সুস্পষ্ট ভাষায় সাদ ইবনে মুয়াজের এই অতুলনীয় মর্যাদার কথা ঘোষণা করেছেন।

সাহাবি জাবের (রা.) বলেন, নবীজি বলেছেন, ‘সাদ ইবনে মুয়াজের মৃত্যুতে দয়াময় আল্লাহর আরশ কেঁপে উঠেছে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৮০৩)ইমাম নববি (রহ.) এই হাদিসের চমৎকার ব্যাখ্যা দিয়ে লিখেছেন, আল্লাহর আরশ কেঁপে ওঠার মানে হলো, সাদের আত্মাকে স্বাগত জানানোর জন্য আরশ বহনকারী ফেরেশতারা আনন্দে উদ্বেলিত হয়েছিলেন এবং তাঁর আগমনে আসমানি জগতে এক বিশাল আনন্দোৎসবের সৃষ্টি হয়েছিল।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন