বর্ষা মৌসুমে চলনবিল ও আশপাশের জলাশয়ে ছোট–বড় নানা ধরনের মাছ ধরা পড়ে। তাই এখনো ঐতিহ্যবাহী ‘চাঁইয়ের হাট’ বসে চলনবিল এলাকার চাটমোহর অঞ্চলে। এটি মূলত বাঁশ-বেতের তৈরি মাছ ধরার ফাঁদ। স্থানীয়ভাবে তৈরি মাছ ধরার এই বিশেষ ফাঁদ ‘চাঁই’ কেনাবেচার ধুম লেগে যায় এই মৌসুমে। আঞ্চলিক ভাষায় আকারভেদে এসব ফাঁদ খলসুনি, ধুন্দি, বিত্তি, খাদুন, বাসন ও দুয়ারী নামে পরিচিত। তবে বিক্রেতাদের অভিযোগ আগের মতো আর হাট জমে না।
বর্তমানে চায়না জালের প্রভাবে হারিয়েছে অতীতের জৌলুশ। এসব তৈরি করে লাভের অংশ খুবই সামান্য হয়ে গেছে।
পাবনার চাটমোহর উপজেলার রেলওয়ে মাঠের চাঁইয়ের হাটের কিছু দৃশ্য নিয়ে এই ছবির গল্প।বিক্রির জন্য আনা চাঁই পানিতে ভিজিয়ে নিচ্ছেন এক ব্যবসায়ীএভাবে পানিতে ভিজিয়ে নিলে রোদে শুকিয়ে যায় নাহাটে বেচাকেনা চলছেনিয়ে আসা চাঁই বিক্রির আগে খুঁত থাকলে তা সারা হচ্ছেদরদাম চলছেসারি সারি সাজানো চাঁইদরদামে ব্যস্ত ক্রেতা বিক্রেতাকেনার আগে চাঁই দেখছেন এক বিক্রেতাউঁচিয়ে ভালোভাবে পরখ করে নিচ্ছেন একজনপাইকারি দরেও চলে কেনাবেচাদূরদূরান্ত থেকে এই হাটে এসে চাঁই কিনে নিয়ে যান ক্রেতারা
সূত্র: প্রথম আলো

অনুশাসন বনাম প্রশ্রয়: সন্তানের সঠিক বিকাশের পথ কোনটি
যাঁর মৃত্যুতে আল্লাহর আরশ কেঁপেছিল
সারা দিন রিল দেখতে হবে, লোক খুঁজছে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান
জেন্ডার বাজেটের প্রকৃত বাস্তবায়ন জরুরি
বিদ্যালয়ের সামনের দেয়ালে লেখা ‘জয় বাংলা’, ৫ শিক্ষার্থীকে ডেকেছে কর্তৃপক্ষ

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন