বেরিয়ে গেছে কঙ্কাল, সেই কঙ্কালের হাড়গুলোও যেন ভাঙা—ঠিক এমনই অবস্থায় আছে শতাব্দীর স্মৃতিবিজড়িত চার্লির নীলকুঠি।খুলনা বড় বাজারের পাশে রেলওয়ে হাসপাতাল সড়কে বনজঙ্গলে ঘেরা একটি জীর্ণ দালান দাঁড়িয়ে আছে। সব দেয়াল ভেঙে গেছে, সিঁড়িগুলো সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে। কেবল ইস্পাতের পিলারের ওপর ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ছাদের অবশিষ্টাংশ।
শতাব্দীপ্রাচীন কঙ্কালসার ভবনটি খুলনা অঞ্চলের প্রথম পাকা দালান, যা স্থানীয় সাধারণ মানুষের কাছে এখন ‘ভূতের বাড়ি’ নামেই বেশি পরিচিত।খুলনা ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, নীলকর চার্লি ১৭৮৬ সালে ভৈরব নদের তীরে ৪৩ শতাংশ জমির ওপর এই নীলকুঠি স্থাপন করেন। ইট, চুন-সুরকি, লোহার খাম, কাঠের পাটাতন ও মাটির টালি দিয়ে দোতলা বাড়িটি তৈরি হয়েছিল। ওপরতলায় তিনটি ও নিচতলায় চারটি কামরা এবং সামনে ছিল খোলা বারান্দা।
নদের তীরে চার্লির গড়া সেই হাটই কালক্রমে ‘সাহেবের বাজার’ হয়ে আজকের ‘বড় বাজার’ নামে পরিচিতি পেয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো

তেল–গ্যাস খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান
মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা সোমবার,
প্রস্তাব দেবেন শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি
গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা পলিসি বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা
শনিবার পোশাক কারখানায় ছুটি দিতে অনুরোধ বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় কারা আছেন

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন