ইসলামে ঋণ করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে; এমনকি একজন শহীদের সব পাপ মাফ হয়ে গেলেও তার ঋণের দায় মাফ হয় না, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়।
তবে অভাব, অসুস্থতা বা ব্যবসায়িক ক্ষতির কারণে মানুষ বাধ্য হয়ে অনেক সময় ঋণের ফাঁদে পড়ে যায়।এই দুর্বিষহ অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মহানবী (সা.) উম্মতকে চমৎকার কিছু মানসিক, আধ্যাত্মিক ও প্রায়োগিক পথ দেখিয়েছেন।১. ঋণ পরিশোধের সংকল্প ঋণমুক্তির প্রথম ও প্রধান শর্ত হলো—যেকোনো মূল্যে পাওনাদারের টাকা পরিশোধ করার দৃঢ় মানসিক সংকল্প (নিয়ত) থাকা।
অনেকেই ঋণ নেওয়ার পর তা পরিশোধ করার কথা ভুলে যান বা গড়িমসি করেন।অথচ অন্তরে যদি পরিশোধের সত্যিকারের তাগিদ থাকে, তবে আল্লাহ গায়েবিভাবে তাকে সাহায্য করেন।মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মানুষের সম্পদ (ঋণ হিসেবে) গ্রহণ করে তা পরিশোধ করার উদ্দেশ্যে, আল্লাহ তার পক্ষ থেকে তা পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন।
সূত্র: প্রথম আলো

চাকরি ছেড়ে আঙুর বাগান, বছরে লাখ টাকা লাভের সম্ভাবনা
আমরা কি ঠিকভাবে বাণিজ্যচুক্তি করতে পারছি
জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ব বাজারে কমলেও দেশে কেন বাড়াতে হল
ব্যাংক থেকে তাৎক্ষণিক ঋণ পাওয়া যাবে, কারা পাবেন এই সুবিধা
সংসারের খরচ বাড়ছে, সঞ্চয় ধরে রাখবেন যেভাবে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন