নিজ গ্রামে বিদ্যালয় ছিল না। বাড়ি থেকে সবচেয়ে কাছের বিদ্যালয়ে যেতে হতো সাত কিলোমিটার হেঁটে। এরপরও তিনি দমে যাননি। এ প্রতিকূলতার মধ্যেই নিজের পড়া চালিয়ে গেছেন। এখন তিনি নিজেই শিক্ষক। এলাকায় শিশু ও শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি ‘প্রিয় ম্যাডাম’ নামে পরিচিত।গল্পটা রেজিয়া পারভীনের। তিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার পেঁচার দ্বীপের মাংলাপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সেখানকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
শিক্ষকতার পাশাপাশি দুর্গম উপকূলীয় জনপদে বাল্যবিবাহ, যৌতুক ও মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরি এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া শিশুদের ফিরিয়ে আনার কাজ করেন তিনি।
এসব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবক ও অদম্য নারীর স্বীকৃতিসহ একাধিক পুরস্কার।রেজিয়া পারভীন, শিক্ষক, পেঁচার দ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়‘আমার পথচলা যদি কোনো একজন নারীকে বা মেয়েকে নতুন করে বই হাতে নিতে সাহস জোগায়, কোনো মা যদি নিজের অসমাপ্ত স্বপ্নের কথা নতুন করে ভাবেন, তবেই আমার এই শিক্ষকতা সার্থক।’কক্সবাজার শহর থেকে ২৩ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে খুনিয়াপালং ইউনিয়ন।
সূত্র: প্রথম আলো

মাদকসেবনরত অবস্থায় আটক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা, ১৫ দিনের কারাদণ্ড
ডেসকোর যেই নম্বরের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ বন্ধ থাকবে ২৪ ঘণ্টা
একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা
ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী
কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন