প্রথমে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মি আহম্মেদের বাসায় অভিযান। তাঁকে না পেয়ে পুলিশ চলে যায়। পরে আবার গিয়ে তাঁর স্বামীকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো হয়। ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে কথিত সমন্বয়কেরা আদায় করেন ১০ লাখ টাকা। কয়েক দিন পর বাকি ৪০ লাখ টাকা নিতে গিয়ে ধরা পড়েন পাঁচজন। পরে গ্রেপ্তার হন আরও একজন। গুলশানের এই ঘটনায় তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পিবিআই।
সূত্র: প্রথম আলো

মাদকসেবনরত অবস্থায় আটক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা, ১৫ দিনের কারাদণ্ড
ডেসকোর যেই নম্বরের প্রিপেইড মিটার রিচার্জ বন্ধ থাকবে ২৪ ঘণ্টা
একটি প্রতিবেদন খুলে দিল ফারজানার চাকরির দরজা
ইলহানের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই গড়ে তুলতে পারেনি রিপাবলিকান প্রার্থী
কেউ লাইন ভেঙে সামনে চলে এলে কী বলবে

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন