advertisement

কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ: মহানবী (সা.) কীভাবে কাজের চাপ সামলাতেন

কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ: মহানবী (সা.) কীভাবে কাজের চাপ সামলাতেন
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

পেশাগত জীবনে কর্মক্ষেত্রে ‘মানসিক চাপ’ (স্ট্রেস) একটি নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের ডেডলাইন, টার্গেট পূরণ এবং বহুমুখী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই চরম মানসিক অবসাদের (বার্নআউট) শিকার হন। অথচ বলা যায়, মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি কাজের চাপ ও বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেছেন মহানবী (সা.)।

তিনি একাধারে একজন নবী, রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাপতি, প্রধান বিচারপতি, শিক্ষক ও একজন সংসারী মানুষ ছিলেন।এত বিশাল দায়িত্বের বোঝা কাঁধে থাকার পরও তিনি কখনো মানসিক অবসাদে ভেঙে পড়েননি বা খিটখিটে মেজাজের হননি। কাজের প্রচণ্ড চাপ সামলাতে নবীজি যে কৌশলগুলো অবলম্বন করতেন, তা আজকের কর্মজীবীদের জন্য আদর্শ হতে পারে।১. কাজের ফাঁকে নামাজের মাধ্যমে ‘ব্রেক’টানা কাজ করতে থাকলে মানুষের মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

আধুনিক বিজ্ঞান কাজের ফাঁকে বিরতির (মেডিটেশন) কথা বলে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

কীভাবে কম কাজ করে বেশি ফল পাবেন? কৌশল জানুন কীভাবে কম কাজ করে বেশি ফল পাবেন? কৌশল জানুন ডেঙ্গুতে তিন মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল, এক মেয়েকে ছাড়াই বাসায় ফিরলেন বাবা–মা ডেঙ্গুতে তিন মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল, এক মেয়েকে ছাড়াই বাসায় ফিরলেন বাবা–মা মসজিদের পাশে যে নারী আহতদের সেবা করতেন মসজিদের পাশে যে নারী আহতদের সেবা করতেন হিমাঙ্কের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে হিমাঙ্কের নিচেও পানি তরল থাকে কীভাবে ফর্মুলা ওয়ান রেসিং প্রতিযোগিতার জয়-পরাজয়েও ভূমিকা রাখছে এআই ফর্মুলা ওয়ান রেসিং প্রতিযোগিতার জয়-পরাজয়েও ভূমিকা রাখছে এআই
advertisement

প্রথমবারের মতো নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট পেতে যাচ্ছে বুলগেরিয়া

প্রথমবারের মতো নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট পেতে যাচ্ছে বুলগেরিয়া
প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভা দ্বিতীয় দফায় ভোট দিচ্ছেন। সোফিয়া, ১ নভেম্বর ২০২৬
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ইলিয়ানা ইয়োতোভাই জয়ী হতে চলেছেন। বুথফেরত জরিপে এমন আভাসই পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছেন।একাধিক বুথফেরত জরিপের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, গতকাল রোববার অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় দফার ভোটে ইয়োতোভা ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

তিনি রাশিয়ার সঙ্গে সংলাপের পক্ষে এবং ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিরোধী।চূড়ান্ত সরকারি ফলাফলও যদি একই থাকে, তবে ইয়োতোভা হবেন বুলগেরিয়ার প্রথম নির্বাচিত নারী প্রেসিডেন্ট।ইয়োতোভার প্রতিদ্বন্দ্বী, সাবেক অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই গিউরভ প্রায় ৩৮ শতাংশ ভোট পেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন বলে জানা গেছে।পশ্চিমাপন্থী বিরোধীদের সমর্থন পাওয়া গিউরভ বলেছেন, ফলাফল যা এসেছে, তা মেনে নিতে হবে।গিউরভ আরও বলেন, ‘বুলগেরিয়ার নাগরিকেরা এভাবেই তাঁদের রায় (ভোট) দিয়েছেন।’বুথফেরত জরিপ অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ভোট পড়েছে ২৭ থেকে ২৯ শতাংশ।

গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত প্রথম দফার নির্বাচনের তুলনায় এ হার সামান্য বেশি।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

কীভাবে কম কাজ করে বেশি ফল পাবেন? কৌশল জানুন

কীভাবে কম কাজ করে বেশি ফল পাবেন? কৌশল জানুন
একজন শিক্ষার্থী পড়াশোনার জন্য অনেক সময় ব্যয় করেও কাঙ্ক্ষিত ফল না পেতে পারেন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

দিনের ২৪ ঘণ্টা কি কাজের তুলনায় কম মনে হয়? প্রতিদিনের কাজের তালিকা শেষ করতে গিয়ে কি হিমশিম খেতে হয়? অনেক পরিশ্রম করার পরও কি মনে হয়, প্রত্যাশা অনুযায়ী সাফল্য আসছে না?এমন সমস্যার সমাধানে সময় ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদনশীলতা নিয়ে আলোচিত একটি ধারণা হতে পারে ৮০/২০ নীতি। ব্রিটিশ পরামর্শক, লেখক ও বিনিয়োগকারী রিচার্ড কখ তাঁর ‘দ্য ৮০/২০ প্রিন্সিপল: অ্যাচিভ মোর উইথ লেস’ বইয়ে এই নীতির ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

তাঁর মতে, বেশি কাজ করলেই যে বেশি ফল পাওয়া যাবে, এমন নয়। বরং কোন কাজগুলো সবচেয়ে বেশি ফল বয়ে আনে, তা চিহ্নিত করে সেগুলোতে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।এই ধারণা শুধু কর্মক্ষেত্রের জন্য নয়; ব্যক্তিগত জীবন, সম্পর্ক, অবসর কাটানো এবং মানসিক প্রশান্তি অর্জনের ক্ষেত্রেও প্রাসঙ্গিক হতে পারে। তবে এর অর্থ দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া কিংবা সব কাজ কমিয়ে দেওয়া নয়।

বরং সময় ও শ্রম কোথায় ব্যয় হচ্ছে, তা বুঝে গুরুত্বপূর্ণ কাজকে অগ্রাধিকার দেওয়া।৮০/২০ নীতি কী৮০/২০ নীতি ‘প্যারেটো নীতি’ নামেও পরিচিত।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ডেঙ্গুতে তিন মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল, এক মেয়েকে ছাড়াই বাসায় ফিরলেন বাবা–মা

ডেঙ্গুতে তিন মেয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিল, এক মেয়েকে ছাড়াই বাসায় ফিরলেন বাবা–মা
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

ডেঙ্গুতে মাত্র ১৫ বছর বয়সে প্রাণ হারিয়েছে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী সাফিয়া হাসিন আরোশী। একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল তার দুই ছোট বোনও। তবে শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি বড় মেয়েকে। বিস্তারিত ভিডিওতে…

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন