ব্যাংক এশিয়া পিএলসি ‘কল সেন্টার সুপারভাইজার (আপ টু সিনিয়র অফিসার)’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি ‘কল সেন্টার সুপারভাইজার (আপ টু সিনিয়র অফিসার)’ পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এরই মধ্যে আবেদন শুরু হয়েছে, চলবে ১৬ নভেম্বর পর্যন্ত। আগ্রহী প্রার্থীরা...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার দুই সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মিজানুর রহমান রাজকে আহ্বায়ক এবং শরিফুল ইসলাম মিলনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে...
মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও এইচএসবিসির বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। এটি কি বাংলাদেশের বাজারের প্রতি আন্তর্জাতিক ব্যাংকের আস্থার সংকট, নাকি বৈশ্বিক ব্যাংকিং কৌশলের পরিবর্তনের প্রতিফলন? এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন মামুন রশীদএকসময় বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে আন্তর্জাতিক ব্যাংকের উপস্থিতি ছিল পেশাদারি, আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত গ্রাহকসেবা ও সুশাসনের প্রতীক।
বিশেষ করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও এইচএসবিসির মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কয়েক প্রজন্মের গ্রাহকের আস্থা ও নির্ভরতার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।
তাই স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং বা খুচরা ব্যবসা বিক্রির সিদ্ধান্ত এবং এর আগে এইচএসবিসির রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করেছে—আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো কি বাংলাদেশের বাজারের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে, নাকি আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের ব্যবসায়িক মডেলেই মৌলিক পরিবর্তন ঘটছে?প্রশ্নটির উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের বৈশ্বিক ব্যাংকিং কৌশল, স্থানীয় বাজারের প্রতিযোগিতা এবং পরিচালন ব্যয়ের অর্থনীতি বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।ব্যাংকিং খাত পুনরুদ্ধার প্রকল্প কতটা কঠোর হবেপ্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার, রিটেইল ব্যাংকিং থেকে সরে আসা মানেই বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বিদায় নেওয়া নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
জাপানে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার হিসেবে অংশ নেন কক্সবাজারের মেয়ে ফাতেমা আক্তার। তবে তাঁর সার্ফার হয়ে ওঠার পথ মোটেও সহজ ছিল না। সামাজিক রক্ষণশীলতা, কটূক্তি, হয়রানি ও আর্থিক সংকটের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন অলিম্পিকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা। ১৯ অক্টোবর কক্সবাজারে তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুল কুদ্দুসকেমন ছিল আপনার ছোটবেলা?
মহেশখালীতে বেড়ে ওঠা, বাবাকে হারানো, তারপর জীবনের সংগ্রামের কথা শুনতে চাই।ফাতেমা আক্তার: মহেশখালীতে এক দরিদ্র পরিবারে আমার জন্ম। ছোটবেলায় বাবাকে হারাই। এরপর জীবিকার সন্ধানে মায়ের সঙ্গে কক্সবাজার শহরে চলে আসি। তখন সৈকতে শামুক-ঝিনুক কুড়াতাম। সেগুলো দিয়ে মা ও বোনেরা মালা তৈরি করতেন। সেই মালা পর্যটকদের কাছে বিক্রি করে আমাদের সংসার চলত।এমন একটি পরিবারের মেয়ে সার্ফিং করবে, তা ভাবতেই অবাক লাগে!
আগে শুধু পড়াশোনা করতাম, বাসায় থাকতাম।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।
মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন