advertisement

২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: প্রতিমন্ত্রী

২০২৮ সালের কারিকুলামে ‘শিখনফলভিত্তিক’ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্য সরকারের: প্রতিমন্ত্রী
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
ফটো কার্ড প্রিন্ট
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখনচাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামে একটি শিখনফলভিত্তিক ও শিশুবান্ধব শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সরকারের এ পরিকল্পনার কথা জানান।

সাক্ষাৎকারে তিনি প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, দেশব্যাপী মিড-ডে মিল কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ক্লাসরুমে প্রযুক্তির ব্যবহারসহ প্রাথমিক শিক্ষা খাতের উন্নয়ন ও সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।উচ্চমাধ্যমিকের পর কানাডায় উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা, প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে২০২৮ সালে নতুন কারিকুলাম ও শিখনপদ্ধতি—প্রাথমিক শিক্ষার কারিকুলাম উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ জানান, শিক্ষার্থীদের বয়স, সক্ষমতা ও শিখনচাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি পরিমার্জিত ও উন্নত কারিকুলাম প্রণয়নের লক্ষ্যে সরকার কাজ শুরু করেছে।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) এ বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

আরও সংবাদ

উচ্চমাধ্যমিকের পর কানাডায় উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা, প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে উচ্চমাধ্যমিকের পর কানাডায় উচ্চশিক্ষার সম্ভাবনা, প্রস্তুতি নেবেন কীভাবে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পড়া, লেখা ও গণিতে দক্ষতায় ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পড়া, লেখা ও গণিতে দক্ষতায় ৩০ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক ৪৫তম বিসিএস: গেজেট পেয়েও শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেননি ৪৫ জন ৪৫তম বিসিএস: গেজেট পেয়েও শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দেননি ৪৫ জন দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভিসায় পরিবর্তন, পড়া শেষে তিন বছর থাকার সুযোগ দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা: ভিসায় পরিবর্তন, পড়া শেষে তিন বছর থাকার সুযোগ শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহারে বাধ্য করার অভিযোগ গুগলের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের এআই ব্যবহারে বাধ্য করার অভিযোগ গুগলের বিরুদ্ধে
advertisement

যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরে দুই সদস্যের আংশিক আহ্বায়ক কমিটি

সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার দুই সদস্যবিশিষ্ট আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে মিজানুর রহমান রাজকে আহ্বায়ক এবং শরিফুল ইসলাম মিলনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে...

মূল সূত্র: বিস্তারিত পড়ুন

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

বিদেশি ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ থেকে সরে যাচ্ছে কেন

বিদেশি ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ থেকে সরে যাচ্ছে কেন
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও এইচএসবিসির বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা গুটিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নানা প্রশ্ন তৈরি করেছে। এটি কি বাংলাদেশের বাজারের প্রতি আন্তর্জাতিক ব্যাংকের আস্থার সংকট, নাকি বৈশ্বিক ব্যাংকিং কৌশলের পরিবর্তনের প্রতিফলন? এ বিষয়ে বিশ্লেষণ করেছেন মামুন রশীদএকসময় বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে আন্তর্জাতিক ব্যাংকের উপস্থিতি ছিল পেশাদারি, আধুনিক প্রযুক্তি, উন্নত গ্রাহকসেবা ও সুশাসনের প্রতীক।

বিশেষ করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ও এইচএসবিসির মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কয়েক প্রজন্মের গ্রাহকের আস্থা ও নির্ভরতার সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

তাই স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং বা খুচরা ব্যবসা বিক্রির সিদ্ধান্ত এবং এর আগে এইচএসবিসির রিটেইল ব্যাংকিং কার্যক্রম গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করেছে—আন্তর্জাতিক ব্যাংকগুলো কি বাংলাদেশের বাজারের প্রতি আস্থা হারাচ্ছে, নাকি আন্তর্জাতিক ব্যাংকিংয়ের ব্যবসায়িক মডেলেই মৌলিক পরিবর্তন ঘটছে?প্রশ্নটির উত্তর খুঁজতে হলে আমাদের বৈশ্বিক ব্যাংকিং কৌশল, স্থানীয় বাজারের প্রতিযোগিতা এবং পরিচালন ব্যয়ের অর্থনীতি বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।ব্যাংকিং খাত পুনরুদ্ধার প্রকল্প কতটা কঠোর হবেপ্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার, রিটেইল ব্যাংকিং থেকে সরে আসা মানেই বাংলাদেশ থেকে পুরোপুরি বিদায় নেওয়া নয়।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন

ঢেউয়ের ওপর দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল আকাশে উড়ছি

ঢেউয়ের ওপর দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল আকাশে উড়ছি
সার্ফিং বোর্ড হাতে ফাতেমা আক্তার, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে
সংবাদ শুনতে বাটনে ক্লিক করুন

জাপানে অনুষ্ঠিত ২০তম এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের প্রথম নারী সার্ফার হিসেবে অংশ নেন কক্সবাজারের মেয়ে ফাতেমা আক্তার। তবে তাঁর সার্ফার হয়ে ওঠার পথ মোটেও সহজ ছিল না। সামাজিক রক্ষণশীলতা, কটূক্তি, হয়রানি ও আর্থিক সংকটের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে। তাঁর সবচেয়ে বড় স্বপ্ন অলিম্পিকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা। ১৯ অক্টোবর কক্সবাজারে তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুল কুদ্দুসকেমন ছিল আপনার ছোটবেলা?

মহেশখালীতে বেড়ে ওঠা, বাবাকে হারানো, তারপর জীবনের সংগ্রামের কথা শুনতে চাই।ফাতেমা আক্তার: মহেশখালীতে এক দরিদ্র পরিবারে আমার জন্ম। ছোটবেলায় বাবাকে হারাই। এরপর জীবিকার সন্ধানে মায়ের সঙ্গে কক্সবাজার শহরে চলে আসি। তখন সৈকতে শামুক-ঝিনুক কুড়াতাম। সেগুলো দিয়ে মা ও বোনেরা মালা তৈরি করতেন। সেই মালা পর্যটকদের কাছে বিক্রি করে আমাদের সংসার চলত।এমন একটি পরিবারের মেয়ে সার্ফিং করবে, তা ভাবতেই অবাক লাগে!

আগে শুধু পড়াশোনা করতাম, বাসায় থাকতাম।

সূত্র: প্রথম আলো

আপনার প্রতিক্রিয়া

মন্তব্য ও মতামত

এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।

Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন