আসলে সরকারি ফ্ল্যাট বরাদ্দ পাওয়ার পর থেকেই আমি বিষয়টিকে একটু আধুনিকভাবে দেখছি। সরকারি আবাসন পরিদপ্তর হয়তো ভেবেছে, আমাকে থাকার জায়গা দেবে। আমি ভেবেছি, আমাকে একটা সুযোগ দিয়েছে। তারা দিয়েছে ফ্ল্যাট, আমি পেয়েছি ভাড়টে। দুই পক্ষের মধ্যে বোঝাপড়াটা বেশ ভালোই চলছিল।সরকারি ফ্ল্যাটটা আমার নামে; তবে আমি সেখানে থাকি না। থাকেন অন্য একজন। এতে দোষের কী আছে? ফ্ল্যাট কি আর মানুষ? তাকে তো আর প্রতিদিন দেখতে হয় না!
বরং আমি না থাকায় ফ্ল্যাটটি একা একা পড়ে নেই। একজন মানুষকে আশ্রয় দিতে পারছে। এটাও তো একধরনের সামাজিক দায়িত্ব পালন!আমার এক বন্ধু বিষয়টি শুনে বলল, ফ্ল্যাটটা তোমার নামে, থাকো না কেন?বললাম, ফ্ল্যাটটার বরাদ্দ আমার নামে, থাকার দায়িত্বটা অন্যের।মানে?মানে, সরকারি চাকরিতে দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হয়। অফিসের কাজ যেমন সহকর্মীরা ভাগ করে করি, ফ্ল্যাটে থাকাটাও একজনকে দায়িত্ব দিয়েছি।বন্ধু বলল, কিন্তু ভাড়াটা?ওটা আমার দায়িত্ব।
দায়িত্বের বিনিময়ে কিছু সম্মানী তো থাকতেই পারে!বন্ধু আর কথা বাড়াল না।
সূত্র: প্রথম আলো

একটি প্রকল্পের আত্মকাহিনি
কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ
মৌসুমী–ওমর সানীর দুই সন্তান কে কোথায়, কী করছেন
১৮ বছরে প্রথম বিয়ে, বিগ বসের ঘরে গিয়ে আবার বিয়ের পরিকল্পনা জানালেন সোনামণি সাহা
কখনো মনে হয়নি যে অন্য একটা দেশে কাজ করছি: সুস্মিতা চ্যাটার্জি

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন