নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তা শুধু উৎপাদনের পরিমাণে নয়, নির্ভর করে মাটির সুস্বাস্থ্য ও চাষের পদ্ধতির ওপরও। এই ভাবনা থেকেই পাবনায় আটজন প্রাকৃতিক কৃষক ও কৃষি প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দিয়েছে বিকে ফাউন্ডেশন। প্রাকৃতিক কৃষির চর্চাকে উৎসাহিত করতেই ছিল এই ব্যতিক্রমী আয়োজন।“আমি আমার মাকে ঠিক যতটুকু ভালোবাসি, মাটিকেও ততটুকু ভালোবাসি।
ফসল আবাদের নামে মাটির ক্ষতি হয়—এমন কোনো উপকরণ ব্যবহার করি না।”টাঙ্গাইলের মধুপুরের কৃষক সানোয়ার হোসেনের এই কথায় ফুটে ওঠে মাটির প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকনির্ভর কৃষিব্যবস্থার বিপরীতে দাঁড়িয়ে তিনি বেছে নিয়েছেন প্রাকৃতিক কৃষির পথ।
তাঁর মতো কৃষকদের চর্চাকে স্বীকৃতি দিতে এবং নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে অন্যদের উৎসাহিত করতে পাবনায় দেশের আটজন প্রগতিশীল কৃষক ও প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে ‘প্রাকৃতিক কৃষি সম্মাননা ১৪৩৩’।৩১ অক্টোবর পাবনার বেড়া উপজেলার আমিনপুর থানার দয়ালনগর বাহারুন্নেচ্ছা পাবলিক লাইব্রেরি প্রাঙ্গণে বিকে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।কেন এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ?শিশু–কিশোরদের পরিবেশনায় কৃষি বিষয়ক জারি গানআয়োজক ও বিকে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এমএ বাতেন খানের ভাষ্য, “অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারে খাদ্যনিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিপন্ন হচ্ছে।
সূত্র: প্রথম আলো

দেশের মানুষ আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ফরমের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ফি আদায়ের অভিযোগ
সৌরজগতে নতুন বামন গ্রহের সন্ধান
মার্কো রুবিও আর ট্রাম্প প্রশাসনে থাকতে চাইছেন না, কিন্তু কেন
ইজিবাইকচালকের মেয়ের অদম্য জয়যাত্রা

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন