সকালের আলো ফোটার আগেই শুরু হয় তাঁর দিনের ব্যস্ততা। হাতে পত্রিকার বান্ডিল নিয়ে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে, কখনো অফিসে, কখনো পরিচিত পাঠকের বাড়িতে ছুটে চলেন তিনি। ২৫ বছর ধরে এভাবেই চলছে তাঁর জীবন।গল্পটা শেফালী রুদ্র পালের (৭৪)। তিনি কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়ার বাসিন্দা। ঈদগাঁওয়ের মানুষের কাছে তিনি পরিচিত ‘শেফালী মাসি’ নামে।
অনেকেই তাঁকে ‘প্রিয় মাসি’ নামেও ডাকেন।শেফালীর বাবা ছিলেন পত্রিকা বিক্রেতা। ছোটবেলা থেকেই বাবার হাত ধরে সংবাদপত্রের সঙ্গে পরিচয় তাঁর। পাঁচ বছর বয়সে স্কুলে ভর্তি হলেও আর্থিক সংকটে পঞ্চম শ্রেণির পর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি।মোহাম্মদ হাশিম, সংবাদপত্রের এজেন্ট, কক্সবাজার।বার্ধক্য শেফালীকে থামিয়ে রাখতে পারেনি। কখনো হেঁটে হেঁটে, আবার কখনো স্টেশনে বসে পত্রিকা বিক্রি করেন তিনি। লেনদেনের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সৎ ও স্বচ্ছ শেফালী।
কখনো এক টাকাও বকেয়া রাখেননি।১৪ বছর বয়সে ১৯৬৬ সালে কক্সবাজার সদর উপজেলার খুরুশকুল ইউনিয়নের রুদ্রপাড়ার রবীন্দ্র রুদ্রর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
সূত্র: প্রথম আলো

বিদেশি ব্যাংকগুলো বাংলাদেশ থেকে সরে যাচ্ছে কেন
ঢেউয়ের ওপর দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল আকাশে উড়ছি
কিআ পড়ি, বিজ্ঞানচিন্তাও পড়ি
লোকনাথ আশ্রমে কার্তিক ব্রত পালন
এনএপিডির মহাপরিচালক নিয়ম মানেন না, বেশি ক্লাস নেন নিজে, ভাতার ভাগও দেন না

মন্তব্য ও মতামত
এই সংবাদ সম্পর্কে আপনার মতামত শেয়ার করতে পারেন।
Facebook-এ মতামত শেয়ার করুন